মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দূর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে সকাল ১০টায় জিন্দাবাজারস্থ কাজী ইলিয়াছ মোড়ে জমায়েত হয়ে এক র্যালি সহ চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাখো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করা হয়।জাতীয় খবর
শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে চৌহাট্টা পয়েন্টে এক গণ আলোচনা সভা কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. অরুণ কুমার দেব এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মকসুদ হোসেনের পরিচালনায় বক্তারা মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও স্বাধীনতার এই দিনে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সেই বীর লাখো শহীদ ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, স্বাধীনতার স্বপ্নদেষ্টা মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বেতারে যার স্বাধীনতার ঘোষণা সেই সময় দিশেহারা জনগণকে অনুপ্রেরণা দিয়েছিল মূলত এই ঘোষণায় পাকিস্তান ভেঙ্গে যায়। এরই সাথে মুক্তিযোদ্ধের প্রধান সেনাপতি বঙ্গবীর এমএজি ওসমানী সহ সকল সেক্টর কামান্ডারের প্রতি।
বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল এ দেশকে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক শোসনমুক্ত রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা। শীর্ষ দূর্নীতিবাজ গোষ্ঠী ও রাজনীতিতে লুকিয়ে থাকা জাতীয় গাদ্দারদের কারণে স্বাধীনতার ৫৫ বছরে কাঙ্খিত একটি গণতান্ত্রিক বৈষম্য দূর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র নির্মাণ করা হয়নি। এর প্রেক্ষিতে হয় ২০২৪ এর বিশ্বসেরা গণঅভ্যুত্থান। সেই অভ্যুত্থান সফলের জন্য হয় গণভোট। জাতি আর মব সন্ত্রাস ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি জ্বালাও পোড়াও ও জাতীয় নেতাদের অপমাণিত দেখতে চায় না। জাতি শান্তি স্থতিশীলতা চায়। দলীয় তন্ত্র জাতি মানে না। সাফ কথা উচ্চ পর্যায়ে দূর্নীতি দমন ও জুলুমতন্ত্রন কমলে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সুসংহত ও সুদৃড় থাকবে।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- ফোরামের উপদেষ্টা, চট্টগ্রাম ইউরোয়িা ফাটিলাইজার কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ড. রমেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্য, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মামুন রশীদ এডভোকেট, সাংগঠনিক সম্পাদক সরোজ ভট্টাচার্য্য, আইন বিষয়ক সম্পাদক অরুন চন্দ্রনাথ এডভোকেট, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মোতায়ালী ফলিক, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মীর আব্দুল করিম পাখি মিয়া, যুব ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রিখন তালুকদার রিখন, যুব পদকপ্রাপ্ত যুবনেতা মো: নজরুল ইসলাম প্রমুখ।