বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, একজন মানুষ একসময় এক কথা বলে, আবার কিছুদিন পর সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলে-এই ধরনের আচরণ জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে। কোনো নেতার কথার সঙ্গে কাজের মিল না থাকলে জনগণ তার কাছ থেকে ইতিবাচক শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে না।
সোমবার (২৩ মার্চ) বিকালে সুনামগঞ্জ শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পৌর শাখার উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিশির মনির বলেন, ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির জারি করা “জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫” অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হবেন। এই পরিষদের মেয়াদ হবে ১৮০ দিন, যার মধ্যে তারা প্রস্তাবিত সংস্কারগুলো পর্যালোচনা ও অনুমোদন দেবেন।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবনায় প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর নির্ধারণ, সংসদকে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট করা এবং উচ্চকক্ষ গঠনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং একটি স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনসহ প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকতে পারেনা।
সুনামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির আব্দুস সাত্তার মো. মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন- জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তোফায়েল আহমেদ খান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শামসউদ্দীন।