হবিগঞ্জের বাহুবল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করায় বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষারকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় অবস্থিত তুষার চৌধুরীর নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শামীম ইকবাল।
এর আগে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তে নেয় এবং এরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
খোঁজ নিয়ে যায়, সম্প্রতি স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মখলিছুর রহমানের সঙ্গে ওসি ফোনে কথা বলার সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি উত্তেজিত হয়ে ওসিকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর ভাষায় মন্তব্য করেন এমন একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যা পরবর্তীতে মুহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হওয়ার হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল আমি ধরতে পারিনি। পরে তিনি মখলিস সাহেবের ফোনে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং বলেন বাহুবলে ওসিগিরি করতে হলে তাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে।
অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষার আটক হওয়ার আগে এক ফেসবুক লাইভে অভিযোগ করে বলেন, আমি সরাসরি তাকে কল দিয়েছি এমনটা প্রমাণ করতে পারবে না। আমি চ্যালেঞ্জ দিলাম। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বর্তমান ওসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা, মাদক ও জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে ক্ষোভ আছে। প্রশাসন চাইলে বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখতে পারে।