বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা কুলাউড়া, সম্ভাবনাময় হাওর, চা-বাগান, মৎস সম্পদ, উর্বর ভূমি, বিপুল তরুন জনশক্তি, সহনশীল ও উদার জনগোষ্ঠি এবং সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সম্পদের কারনে এই উপজেলা বাংলাদেশের মানচিত্রে এক অপার সম্ভাবনাময় এলাকা।
(০৯ ফেব্রুয়ারি) সোমবার বিকেলে পৌরশহরের উত্তর বাজারস্থ জামায়াতে ইসলামীর কুলাউড়া উপজেলা কার্যালয়ে তিনি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে এসব কথা বলেন।
২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। জনগনের ভোটাধিকার ও গনতন্ত্রকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। সে সময়ের শাসনামলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে প্রহসনমূলক বিচারের নামে হত্যা করা হয়েছে।
তারই ধারাবাহিকতায় সে সময়ে কুলাউড়া উপজেলায় হামলা-মামলায় রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের জীবন চরম বিপর্যয়ের মধ্যে ছিল। আওয়ামী দুঃশাসনে ১৫ বছরে কুলাউড়া উপজেলার জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে নিপীড়িত রাজনৈতিক সংগঠনে পরিনত হয়েছিল এবং কুলাউড়া উপজেলা অবহেলিত এবং অপশাসনের আওতায় ছিল। তবুও কুলাউড়ার সংগঠন কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতির পথে যায়নি। বরং কুলাউড়ার বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছে। সংযম, ধৈর্য ও দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
এখনই সময় অপার সম্ভাবনাময় কুলাউড়াকে নতুন করে গড়ে তোলার। তরুণ সমাজকে সঙ্গে নিয়ে একটি নিরাপদ, মানবিক, ইনসাফভিত্তিক, সমৃদ্ধ উন্নত ও শক্তিশালি কুলাউড়া গড়ার পথে যাত্রা শুরু করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক প্রণীত জাতীয় ও কুলাউড়ার জন্য প্রস্তাবিত সর্বাধিক উন্নয়নমূলক ইশতেহার বাস্তবায়নে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। কুলাউড়ার সকল ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষ ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একতা, মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে নতুন কুলাউড়া গড়ার অঙ্গীকার নিয়েই আমি কুলাউড়া বাসীর সামনে উপস্থাপন করছি একটি নিরাপদ ও মানবিক কুলাউড়া গড়ার ইশতেহার।
উক্ত ইশতেহার ১৩টি মূল পয়েন্টে বিভক্ত করা হয়েছে এবং ১৩টি পয়েন্টের মধ্যে ৬৬টি বিষয় উল্লেখিত করা হয়েছে।
উন্নয়ন পরিকল্পনাঃ সংসদীয় অঞ্চলের গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত প্রতিটি রাস্তার টেকসই উন্নয়ন করা হবে। এক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া এলাকাকে অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে। কুলাউড়া উপজেলার বাজারগুলোর যানজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কুলাউড়া শহরের যানজট নিরসনে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। কুলাউড়া উপজেলার সকল ছড়া ও খাল এবং খাস পুকুর পুনঃ খনন ও সংস্কার করার মাধ্যমে এর গভীরতা বৃদ্ধি এবং এটিকে মৎস্য চাষের আওতায় আনা হবে। কুলাউড়ার উপর দিয়ে বয়ে চলা নদী ড্রেজিং করার মাধ্যমে গভীরতা ও নাব্যতা বৃদ্ধি করা হবে। নদী তীরবর্তী মানুষের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নদীতে ভাসমান মৎস্য প্রজেক্ট চালু করে সরকারী প্রণোদনা দেওয়া হবে। জনচলাচলকে নিরাপদ করার লক্ষ্যে ও শহরের পরিবেশকে পরিছন্ন রাখতে শহরের ময়লার ভাগাড় নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হবে। শহরকে আধুনিকায়ন করা হবে। অসহায়, প্রান্তিক জনগোষ্টি, ছিন্নমূল ও বাস্তুভিটাহীন মানুষদের স্থায়ী পুনর্বাসন নিশ্চিত করা হবে। কুলাউড়া উপজেলার সম্ভাব্য গ্যাস কূপ হতে গ্যাস উত্তোলনের ব্যবস্থা ও সম্ভাব্য অপরাপর প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ আহরণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলার জলাবদ্ধতা ও বন্যা নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। শতভাগ বিদ্যুতায়ন নিশ্চিত করা হবে।
শিক্ষা সংক্রান্ত পরিকল্পনাঃ নৈতিক শিক্ষা ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ক্যাম্পাস এবং মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে খেলার মাঠ নিশ্চিত করা হবে। স্টুডেন্ট ভিসায় যেসকল শিক্ষার্থী বিদেশ যাত্রায় আগ্রহী নির্দিষ্ট বন্ডের মাধ্যমে তাদের বিনা লাভে শিক্ষা ঋন দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হবে। টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্টার মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষা বিস্তারে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। শিক্ষা বিস্তারে গণগ্রন্থাগার গড়ে তুলা হবে।
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সংক্রান্ত পরিকল্পনাঃ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও আধুনিক যন্ত্রপাতি নিশ্চিত এবং চিকিৎসার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিককে আধুনিকায়ন করা হবে এবং মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা হবে। হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও ঔষধ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। বিধবা, পঙ্গু, এতিম মানুষের জন্য "ফ্রি স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্ড” প্রবর্তন নিশ্চিত করা হবে। এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সম্ভাব্য সব ধরণের অপারশেনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া এক্সরে, ইসিজি বিভাগে মেডিক্যাল টেকনোলজিষ্ট নিয়োগ এবং সার্বক্ষণিক আল্ট্রাসনোগ্রামের ব্যবস্থা করা হবে।
সি.আর.পি. গেষ্ট হাউসকে আধুনিকায়ন এবং ফিজিওথেরাপি সেন্টার পুনঃচালু করা হবে।
চা শ্রমিক, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও উপজাতিদের জন্য পরিকল্পনাঃ চা শিল্পকে যুগোপযোগী এবং আধুনিকায়ন করা হবে। চা শ্রমিকদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রতিটি বাগানে গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে এবং বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। চা-বাগানের শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষায় এগিয়ে নেওয়ার জন্য শিক্ষা-উপবৃত্তি চালু করা হবে। চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরী এবং বাগান মালিকদের ন্যায্য মুনাফা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। চা-শ্রমিকদের সকল নাগরিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। দল, মত, গোত্র, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের নাগরিক অধিকার নিশ্চিতের জন্য "কুইক রেসপন্স টিম" গঠন করা হবে। উপজাতী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টির প্রকৃত সমস্যা সমাধানে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। খাসিয়াপুঞ্জি সমূহের জমি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
কৃষি উন্নয়নঃ কৃষকদের বিনা লাভে কৃষি লোন দেয়া হবে। ফসলী জমিকে নিরাপদ ফুড প্রজেক্টের আওতায় একাধিক ফসল উপযোগী করে তোলার কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে।
সংস্কৃতি ও বিনোদন সংক্রান্ত পরিকল্পনাঃ সিলেটি ঐতিহ্য তুলে ধরার জন্য সিলেটি কালচারাল একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। সরকারী উদ্যোগে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন করা হবে। শিশুদের মেধাবিকাশে শিশু বিনোদন কেন্দ্র ও জনসাধারনের অবকাশকালিন সময় অতিবাহিত করার জন্য বিনোদন পার্ক বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
মসজিদ ও মাদ্রাসা নিয়ে পরিকল্পনাঃ মসজিদ ভিত্তিক মক্তব, সমৃদ্ধ লাইব্রেরী, মসজিদ ক্যাম্পাস, গণশিক্ষা কার্যক্রম, কুরআন তালিম ও দ্বীনি চর্চার কেন্দ্র হিসেবে বিকশিত করা হবে। মাদ্রাসা সমূহকে দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার ভিত্তিতে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য কারিকুলামের আওতায় আনা হবে। মাদ্রাসা শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা হবে এবং চাকুরি ক্ষেত্রে উভয় বিভাগের আবেদনকারীগণ সমান সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন।
হাওর নিয়ে পরিকল্পনাঃ হাকালুকি হাওরকে কেন্দ্র করে পরিবেশ বান্ধব প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। হাওর ও বিলগুলোকে সিন্ডিকেট মুক্ত করে মৎস্য চাষের প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা হবে। জলধারন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পিত খাল-বিল খনন নিশ্চিত করা হবে। জলাবদ্ধতা দূরীকরনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
হাওরে দৃষ্টি নন্দন পর্যটন স্পট স্থাপন করা হবে। সেচ প্রকল্প চালু, খাল খনন এবং সুইচ গেইট নির্মাণ করে হাওরের প্রতি ইঞ্চি মাটি চাষের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটন নিয়ে পরিকল্পনাঃ কুলাউড়ায় একটি জাতীয় মানের স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হবে। ফলে ক্রীড়ামোদীরা তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবে। চা-বাগান, হাওর, পাহাড়কে কেন্দ্র করে পর্যটন জোন বাস্তবায়ন করা হবে। রেলপথে স্বাচ্ছন্দে ভ্রমণ বাড়ানোর জন্য শায়েস্তাগঞ্জ-সিলেট বিশেষ পর্যটন ট্রেন চালু করা হবে। পর্যটক ও স্থানীয়দের বিনোদনের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ইনডোর স্টেডিয়াম স্থাপন করা হবে।
দুর্নীতি, ঘুষ, চাঁদাবাজি ও অপরাধ দমনে পরিকল্পনাঃ সরকারী সকল প্রশাসনিক দপ্তরের দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য বন্ধে বিশেষ মনিটরিং সেল প্রস্তুত করা হবে এবং জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা হবে। সব ধরনের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। চাদাঁবাজি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ ও জিরো টলারেন্স নীতি ব্যবহার করা হবে। মামলা বানিজ্য, রাজনৈতিক হয়রানী, বিনা কারণে গ্রেফতার বন্ধ করা হবে। সীমান্তে চোরাচালান ও অবৈধ বিভিন্ন কর্মকান্ড বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কুলাউড়ার সকল ছোট বড় বাজারকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হবে।
যুব সমাজ নিয়ে পরিকল্পনাঃ বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য বিনা লাভে কর্মসংস্থান ঋন প্রদান করা হবে। যুব সমাজকে মাদক থেকে মুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। প্রবাসে যেতে ইচ্ছুক যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হবে এবং অর্থনৈতিক সমস্যাগ্রস্থদের বিনা লাভে ঋণ দেয়া হবে। যুব উন্নয়ন ও বেকারত্ব নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
প্রবাসী নিয়ে পরিকল্পনাঃ প্রবাসীদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রবাসীদের বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধ, নতুন পাসপোর্ট তৈরি ও পাসপোর্ট রিনিউ, পুলিশ ভেরিফিকেশন সহ সকল ক্ষেত্রে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হবে। প্রবাসে কেউ মৃত্যুবরণ করলে সরকারী খরচে দেশে লাশ আনয়ন নিশ্চিত করা হবে।
নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য পরিকল্পনাঃ নারীদের শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে। নারীদের যথাযথ মর্যাদা রক্ষায় সামাজিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ, সুবিধা বঞ্চিত, অসহায়, বিধবা ও কর্মক্ষম নারীর আত্মকর্মসংস্থান ও পূনঃর্বাসন মূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা হবে। এতিম শিশুদের রাষ্ট্রীয় ভাবে ভরণপোষনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বয়োবৃদ্ধদের বিশেষ প্রণোদনাসহ তাদের মানসিক শান্তি ও সুস্বাস্থের জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গঠনে পরিকল্পনাঃ সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ধর্মীয় অধিকার সুরক্ষা এবং সহাবস্থান নিশ্চিত করে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। সর্বোপরি একটি বৈষম্যহীন জনকল্যাণমূলক নিরাপদ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সর্বক্ষেত্রে যথাযথ কার্যকর উদ্যোগ গ্রহন করা হবে।
নির্বাচনী তফশীল ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট আব্দুর রব, উপজেলা জামায়াতের আমীর আব্দুল মুন্তজিম, নায়েবে আমীর জাকির হোসেন, সেক্রেটারী বেলাল আহমদ চৌধুরী, কুলাউড়া উপজেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম সরকার ।