মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
সিলেট বিভাগ

মৌলভীবাজার-০২ (কুলাউড়া)

ফুটবল প্রতীক নিয়ে ‘গোল’ করতে চান নওয়াব আলী আব্বাস খান

মৌলভীবাজার-০২ (কুলাউড়া) আসনে এবার নির্বাচনী মাঠে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে জনপ্রিয় প্রতীক ফুটবল। এই ফুটবল প্রতীক নিয়েই বিজয়ের ‘গোল’ করে চমক দেখাতে চান তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য নওয়াব আলী আব্বাস খান।

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে তিনি প্রায় ৭৬ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মো. মনসুর আহমদকে পরাজিত করে দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন। সেই সময় ফুটবল প্রতীক কুলাউড়াসহ সারাদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

এরপর ২০০৮ সালের নির্বাচনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এমএম শাহীন। যদিও তিনি পরাজিত হন, তবুও প্রায় ৬৪ হাজার ৯৪২ ভোট পেয়ে ফুটবল প্রতীকের জনপ্রিয়তা ধরে রাখেন। সেই সময় থেকেই কুলাউড়ায় ফুটবল প্রতীক একটি আলাদা ‘ক্রেজে’ পরিণত হয়।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুলাউড়ার ভোটাররা ফুটবল প্রতীক ফিরে পেয়েছেন। তবে এবার ফুটবলের নতুন ‘কাণ্ডারি’ হচ্ছেন একসময়ের জনপ্রিয় নেতা ও তিনবারের সাবেক এমপি নওয়াব আলী আব্বাস খান।

উল্লেখ্য, নওয়াব আলী আব্বাস খান ১৯৮৮, ১৯৯১ ও ২০০৮ সালে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে মৌলভীবাজার-০২ (কুলাউড়া) আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি জাতীয় পার্টির একজন ভ্যানগার্ড নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর ২০১৪ সালে জাতীয় পার্টি ত্যাগ করে বিএনপি জোটে যোগ দেন এবং এরপর আর নির্বাচনে অংশ নেননি।

এবার বিএনপি জোটের মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ফুটবল প্রতীকের জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী মাঠে বড় চমক দেখানোর প্রত্যাশা তার।

নওয়াব আলী আব্বাস খানের সমর্থক শাহজাহান চৌধুরী জানান, আওয়ামী লীগের একটি অংশের ভোট, চা শ্রমিকদের ভোট, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভোট, নিজস্ব সমর্থক গোষ্ঠী এবং ফুটবল প্রতীকের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হবেন বলে তারা আশাবাদী।

এ বিষয়ে নওয়াব আলী আব্বাস খান বলেন, কুলাউড়ার মানুষের কাছে আমি একজন পরীক্ষিত জনপ্রতিনিধি। তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে ও এলাকায় উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছি। সেই অভিজ্ঞতা আবারও কাজে লাগাতে চাই। এটি আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। আমি বিজয়ী হলে কুলাউড়াকে শান্তির জনপদ হিসেবে গড়ে তুলবো। উন্নয়নের পাশাপাশি সকল দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করবো।

এই সম্পর্কিত আরো