বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, সিলেট জেলা আমীর ও সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, আমরা কথিত শাসক হতে আসিনি, জনগণের খাদেম হতে এসেছি। আপনারা যদি পবিত্র আমানত ভোটের মাধ্যমে আমাকে বিজয়ী করেন, তবে আমার দুয়ার আপনাদের জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা সুখে-দুঃখে সর্বদা আপনাদের পাশে থাকবো।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেট নগরীর পিডিবি পয়েন্ট এলাকায় ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কার সমর্থনে আয়োজিত এক গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, সারা দেশে আজ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের বাক স্বাধীনতা হরণ করেছিল। চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার অকাতর আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা সেই স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি। এই অর্জিত স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে এবং দেশে পুনরায় যাতে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে, সেজন্য দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে রায় দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা বিজয়ী হলে এই জনপদের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করে তাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও সমৃদ্ধ সিলেট গড়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।
গণসংযোগকালে জামায়াত ও শিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এসময় নেতৃবৃন্দ জনসাধারণের হাতে নির্বাচনী লিফলেট তুলে দেন এবং ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল মুকিত, মহানগর জামায়াতের ব্যবসায়ী ফোরামের সভাপতি নূরে আলম, কোতোয়ালি পশ্চিম থানার সেক্রেটারি পারভেজ আহমদ, মহানগর শিবিরের সাহিত্য সম্পাদক নাঈম হোসাইন, অর্থ সম্পাদক এটিএম ফাহিম, ১০নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি দেওয়ান আজকীর আলী, সাবেক সভাপতি হাফিজ মকছুদুল করীম, ১২নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. ফয়জুল ইসলাম, ১১নং ওয়ার্ড সভাপতি হাফিজ আব্দুল আলী, ১০নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার ওলিউল ইসলাম এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা জিল্লুল হক প্রমুখ।