সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার একটি গ্রামে বালু, পাথর ও ইট ফেলে সরকারি রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মসজিদ, স্কুল ও মাদ্রাসায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।
ঘটনাটি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে। এ বিষয়ে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে বিশ্বনাথ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন একই গ্রামের মৃত আফতাব মিয়ার ছেলে কামাল মিয়া। অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান।
গত ১৬ জুন দায়ের করা অভিযোগে কামাল মিয়া উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে চলাফেরা করেন এবং আইন-কানুনের তোয়াক্কা করেন না। তাদের পরিবারের সদস্যসহ এলাকার ১০ থেকে ১২টি পরিবারের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া সরকারি রাস্তা ব্যবহার করে দৌলতপুর জামে মসজিদ, স্কুল ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করে আসছেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১৬ জুন দৌলতপুর গ্রামের আবুল খয়ের (৬৫), বাবুল মিয়া (৫৫), ফখরুল মিয়া (৪৫), কুদ্দুছ মিয়া (৫৫) ও ফাহাদ মিয়া (২৮) রাস্তার ওপর বালু, পাথর ও ইট ফেলে ঘর নির্মাণের প্রস্তুতি নেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন এর কারণ জানতে চাইলে তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
কামাল মিয়ার অভিযোগ, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা হুমকি দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে কেউ কথা বললে বা বাধা দিলে মারধরসহ জানমালের ক্ষতি করা হবে।
তিনি আরও জানান, সরকারি ওই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন মানুষ যাতায়াত করেন। এছাড়া মসজিদের মুসল্লি, স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও এই পথ ব্যবহার করে। রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করতে পারছেন না।
এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি রাস্তা দখলমুক্ত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।