স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, সিলেটের নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো। আমরা যতটুকু আশা করেছিলাম তারচেয়েও ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে সিলেটের প্রশাসন।
তিনি বলেন, এবার প্রতিটি ভোটিং সেন্টারে সিসিক ক্যামেরা থাকবে। ড্রোন থাকবে তবে সবকেন্দ্রে না। এছাড়া বডিওর্ন ক্যামেরা থাকবে, থাকবে ডগ স্কোয়াডও। প্রতিটি কেন্দ্রে ১০ জন করে আনসার থাকবে। এরমধ্যে ৬ জন পুরুষ ও ৪ জন মহিলা। এদের মধ্যে আবার তিনজন আর্মড আনসার থাকবে। সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী, র্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও পুলিশ থেকে থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স। থাকবে মোবাইল টিমও। এবারের প্রস্তুতি খুবই ভালো। কোথাও কোনো ঘাটতি নেই। অন্য যে কোনোবারের তুলনায় এবার ভালো প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সিলেটের সুবিদবাজারস্ত প্রাইমারি ট্রেনিং সেন্টারের অডিটোরিয়ামে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্টিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম ও সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন নবী।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনের সাথে যারা জড়িত তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের দোসর বলে কিছু নেই। সবাই সৎ অফিসার ভালো অফিসার। সবাই একটা সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে কাজ করছেন।
ৎসরকারি কর্মকর্তাদের গণভোটের পক্ষে প্রচারণার প্রসঙ্গে একজন নির্বাচন কমিশনারের মন্তব্য সম্পর্কে তার মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছু বলবনা। কারণ, ওই নির্বাচন কমিশনারের কোনো বক্তব্য আমি শুনিনি।
সভায় সিলেট মেট্রোপলিটন, রেঞ্জ ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।