যুক্তরাজ্যের লুটন শহর দিনভর মুখর ছিল ব্যাডমিন্টনের উত্তাপে। সিলেটের ওসমানী নগর–বালাগঞ্জ ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন ইউকের উদ্যোগে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে তৃতীয় বঙ্গবীর ওসমানী কাপ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট। দেশের বাইরে থেকেও প্রবাসী দুই উপজেলার মানুষের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে এই ক্রীড়া আয়োজন পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে আগত ওসমানী নগর ও বালাগঞ্জ উপজেলার প্রায় শতাধিক খেলোয়াড় দুইটি বিভাগে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
এডভান্সড বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন লন্ডনের সিরাজুল ইসলাম ও সাউথএন্ডের আল আমিন আনসারী। রানার্সআপ হন লন্ডনের জাহেদ ও মাসুম। তৃতীয় স্থান অর্জন করেন ব্রিস্টলের দিলওয়ার ও কেমব্রিজের রেজওয়ান। চতুর্থ স্থান অধিকার করেন বার্মিংহামের বাবরু ও লেফাস। এ বিভাগে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন রাহুল আহমেদ মাসুম।
সোশ্যাল বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন স্টোক-অন-ট্রেন্টের মামুন ও বার্মিংহামের রাফি। রানার্সআপ হন বার্মিংহামের রাজু ও লুটনের মুজিব। তৃতীয় স্থান অর্জন করেন লন্ডনের তারেক ও মুরাদ। চতুর্থ স্থান অধিকার করেন সালেহ ও ইসহাক। এ বিভাগে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন স্টোক-অন-ট্রেন্টের মামুন চৌধুরী।
প্রতিযোগিতা শেষে মোহাম্মদ আতিকুর রহমান-এর সঞ্চালনায় আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ছিল টুর্নামেন্টের আরেকটি আকর্ষণ। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেম্পস্টনের মেয়র কাউন্সিলর আলী আকবর, লুটনের ডেপুটি মেয়র কাউন্সিলর শাহানারা নাসের, করবি কাউন্সিলের সাবেক মেয়র মুজিবর রহমান, বালাগঞ্জ–ওসমানী নগর আদর্শ উপজেলা সমিতির ট্রেজারার সাইফুর রহমান এবং বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব জামাল খান।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সদস্য মাসুম কামালী, জিয়া গজনভী, আব্দুল্লাহ মহিম, জুবায়রুল ইসলাম মিটন, ফয়সল ইসলাম, ওয়াহেদ আহমেদ, খয়রুল চৌধুরী, হাসান ইয়াহিয়া, মামুন চৌধুরী ও লেপাস আহমেদসহ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ।
উৎসবমুখর এই টুর্নামেন্টের সার্বিক সহযোগিতায় ছিল হলিস্টিক হেলথ কেয়ার, পাপরিকা ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট, বালাগঞ্জ–ওসমানী নগর আদর্শ উপজেলা সমিতি, ওসমানী নগর স্পোর্টিং অ্যাসোসিয়েশন, ইউনাইটেড কিংডম ব্যাডমিন্টন কমিউনিটি, আলহামরা রেস্টুরেন্ট, সেফ রাসেল, এইচ এন আর সলিউশন, ভয়েস অব টাওয়ার হ্যামলেটস, নাইরা রেস্টুরেন্ট, এইচ আর কনসালটেন্ট, পপলার কার্পেট অ্যান্ড ফ্লোরিং, স্পোর্টস এম্পোরিয়াম ও হোয়াইট চ্যাপেল ফ্রাইড চিকেন।
আয়োজকরা জানান, নাড়ির টানে নিজ এলাকার মানুষকে খেলাধুলার মাধ্যমে একত্রিত করার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং ধারাবাহিকভাবে আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।